logo

FX.co ★ LIMAFX | ট্রেডারদের জন্য ডেইলী ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬

ট্রেডারদের জন্য ডেইলী ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬

২০ ফেব্রুয়ারি কোন ইভেন্টগুলোর উপর মনোযোগ দেওয়া উচিত?

ট্রেডারদের জন্য ডেইলী ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬


সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা: জার্মানি, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোজোনে ফেব্রুয়ারি মাসের পরিষেবা ও উৎপাদন খাতের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সূচক প্রকাশিত হবে। যদি আসন্ন প্রতিবেদনের ফলাফল একে অপরের সাথে পরস্পরবিরোধী না হয় এবং পূর্বাভাসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ থাকে, তাহলে মার্কেটে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। এছাড়া যুক্তরাজ্য খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রে ট্রেডাররা মূলত গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদন (প্রাথমিক অনুমান) এবং কোর PCE সূচকের দিকে দৃষ্টিপাত করবে, যা মুদ্রাস্ফীতির সম্পর্কিত প্রতিবেদন। তবে গত সপ্তাহে প্রকাশিত মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি প্রতিবেদনের ফলফল ট্রেডাররা কিছুটা উপেক্ষা করেছিল। আমরা এখনও মনে করি যে ইউরো ও পাউন্ডের চলমান দরপতনগুলো মৌলিক পটভূমির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

ট্রেডারদের জন্য ডেইলী ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস- ২০২৬


ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের বিশ্লেষণ: শুক্রবারের ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ফেডের প্রতিনিধি রাফায়েল বোস্টিকের বক্তব্য বিশেষভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমবাজার, বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর আমরা ফেডের আর্থিক নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির সদস্যদের বক্তব্যে পরিবর্তনের আশা করেছিলাম; তবে ফেড কর্মকর্তাদের প্রাথমিক বক্তৃতাগুলোতে 'নিরপেক্ষ' অবস্থান অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। আমরা মনে করি যে ফেডের অবস্থান শীঘ্রই আরও 'ডোভিশ' বা নমনীয় হতে পারে, কারণ মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির হার 2%-এর দিকে যাচ্ছে। তবে মুদ্রাস্ফীতি কেবল 2.4%-এর আশেপাশে থেমে থাকাই নয়—সূচকটির হার ধারাবাহিকভাবে নেমে আসতেই হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে বর্তমানে ফেড কর্তৃক তীব্রতর 'ডোভিশ' বা নমনীয় অবস্থান গ্রহণের কোনো ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু এই কারণেই যে দুই সপ্তাহ ধরে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পাচ্ছে সেটি বলা যাচ্ছে না।
উপসংহার: চলতি সপ্তাহের শেষদিনের ট্রেডিংয়ে আজ বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশের কথা থাকায় মার্কেটে সক্রিয়ভাবে ট্রেডিং দেখা যেতে পারে। ইউরো আজ 1.1745-1.1754 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে, আর ব্রিটিশ পাউন্ড 1.3437-1.3446 রেঞ্জে ট্রেড করা যেতে পারে। আমরা এখনও মার্কিন মুদ্রার শক্তিশালী ও স্থায়ী প্রবৃদ্ধির কোনো ভিত্তি দেখতে পাচ্ছি না, তবে উভয় কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
Read more: https://ifxpr.com/4kI9Swa
* এখানে পোস্ট করা মার্কেট বিশ্লেষণ মানে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করা, কিন্তু একটি ট্রেড করার নির্দেশনা প্রদান করা নয়
Go to the articles list Read this post on the forum Open trading account